মেসি গুঁতো খেলেন একজনের, দোষ দিলেন আরেকজনকে news

0
54
news

কীভাবে মেসিকে থামানো যায়? news

প্রায় দেড় দশক ধরে ফুটবলার, কোচ, ফুটবল পরিসংখ্যানবিদের কাছে এই প্রশ্নটা যেন news এক গোলক–ধাঁধা। মেসির আর্জেন্টিনা কিংবা বার্সেলোনার বিপক্ষে যে-ই দলই খেলতে নামুক না কেন, তাদের প্রস্তুতির সিংহভাগ চলে যায় এ নিয়ে গবেষণা করতে করতে। অনেকেই ফুটবলীয় নৈপুণ্যের সাহায্যে মেসিকে আটকাতে না পেরে মেরেধরে খেলতে চায়, নেয় গা-জোয়ারি ফুটবলের আশ্রয়। মেসি নিজে যে সেটা বোঝেন না, তা নয়। দেড় দশক ধরে শীর্ষ পর্যায়ে খেলছেন, তাঁকে থামাতে সবাই কেন শরীরনির্ভর ফুটবল খেলে, তিনি বেশ ভালোই বোঝেন। কিন্তু সেটারও তো একটা সীমা আছে, তাই না?

কখনো কখনো প্রতিপক্ষও অতিরিক্ত গা-জোয়ারি খেলা শুরু করে। তখন মেসি নিজেও news বিরক্ত হয়ে যান। ২০১৮-১৯ মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালটার কথাই ধরুন, সেবার মেসির বার্সেলোনার মুখোমুখি হয়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। মেসিকে আটকাতে বেশ মেরেধরে খেলেছিলেন ফ্রেড, স্কট ম্যাকটমিনে, ক্রিস স্মলিং, মার্কাস রাশফোর্ডরা। স্মলিংয়ের কাছে বেশ কবার গুঁতোও খেয়েছিলেন মেসি। আর তাতেই তেলেবেগুনে চটে গিয়েছিলেন এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টার।

প্রথম লেগে মেসিকে কনুইয়ের গুঁতো মেরেছিলেন ইউনাইটেডের ইংলিশ ডিফেন্ডার স্মলিং। তা আবার যেমন-তেমন গুঁতো নয়, মেরে মেসির মুখ থেকে রক্ত বের করে দিয়েছিলেন। মেসি ঘটনাটা ভোলেননি। তবে রাগ পুষে রাখতে গিয়ে এক জায়গায় একটা গোলমাল বাধিয়ে ফেলেন মেসি। স্মলিংয়ের জন্য জমে থাকা রাগ ভুলে ঝেড়ে বসেন আরেকজনের ওপর। তিনি আর কেউ নন, ইউনাইটেডের স্কটিশ রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার স্কট ম্যাকটমিনে।

দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার পর মেসির জার্সি পাওয়ার জন্য ক্লাব-সতীর্থ সের্হিও news রোমেরোর কাছে আবদার করেন ম্যাকটমিনে। কারণটা স্বাভাবিক, রোমেরো মেসির স্বদেশি। দুজন ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালেও খেলেছেন। দুজনের সম্পর্ক অন্য রকম। আর এই সম্পর্কের সুযোগটাই নিতে চেয়েছিলেন ম্যাকটমিনে, মেসির জার্সি পাওয়ার জন্য। কিন্তু রোমেরো গিয়ে মেসির কাছে জার্সি আনতে চাইলেই বাধে বিপত্তি। মেসি জার্সি দিতে অস্বীকৃতি জানান। কারণ? মেসি ভেবেছেন প্রথম লেগের ওই ম্যাচটায় গুঁতো ম্যাকটমিনে মেরেছিলেন!

মজার এই কথা ম্যাকটমিনে নিজেই বলেছেন ইএসপিএনকে, এক সাক্ষাৎকারে। বাকিটা তাঁর news কাছ থেকেই শুনুন, ‘সের্হিও ফেরত এসে আমাকে বলল, মেসি ভাবছে প্রথম লেগে তুমি ওকে গুঁতো মেরেছো। তখন আমি বললাম, না না না না। ওই কাজ আমি করিনি। ওটা স্মলিং ছিল। স্মলিংয়ের কাজ! ওকে বলে এসো ওই কাজটা আমি করিনি। আর ওর শার্টটা নিয়ে আমি আমার শোবার ঘরে রাখব। এখন মেসি জানে আমি সেই কাজটা করিনি!’

মেসি অবশ্য প্রথম লেগে খাওয়া ওই গুঁতোর প্রতিশোধ বেশ ভালোভাবেই নিয়েছিলেন। দ্বিতীয় লেগে দুই গোল করে একাই ডুবিয়ে দিয়েছিলেন ইউনাইটেডকে। যদিও সেবার শিরোপা বার্সার হাতে শোভা পায়নি। সেমিফাইনালে লিভারপুলের কাছে অবিশ্বাস্যভাবে হেরে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায় নেয় বার্সেলোনা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here